আবছা আবছা বাবার স্মৃতি

বাবাকে আমার মনে পড়ে ঠিকই। কিন্তু স্পষ্ট নয়। কেমন যেন ধোয়াটে ধোয়াটে একটা স্মৃতি। কয়েকটা স্মৃতি অবশ্য বেশ স্পষ্ট। তখন আমার বয়স তিন কি চার। বাবার কাঁধে চড়ে প্রতিদিন সকালে বাজারে যেতাম। ছোট্ট একটা দোকানে প্রতিদিন ভাজা হত গরম গরম … Continue reading আবছা আবছা বাবার স্মৃতি

ঘাসের বন

বড় গাছের চেয়ে ঝোপ- ঝাড় আর লতা- গুল্ম আমার বেশি পছন্দ। যে গুলোর সাইজ আমার মত। বা একটু ছোট। বেশির ভাগ গাছই দুই এক বছরের মধ্যে হিলহিল করে বড় হয়ে যায়। মাত্র হয়তো সেদিনই পিচ্চি দেখলাম।কিন্তু মাত্র কয়েকদিনেই ওরা অনেক … Continue reading ঘাসের বন

কি ঘর বানাইমু আমি শূণ্যের মাঝার

সারিহিল আমার প্রিয় মহল্লা। সপ্তাহে একদিন যাই। দরকার হোক বা না এমনিতেই। বেশি দূরে না। ক্লিভল্যান্ড সড়কটা ধরে নাক বরাবর হেঁটে গেলেই সারিহিল। ডানে বামে পুরানো ধাঁচের দো-তলা কয়েকটা বাড়ি। বেশির ভাগের রঙ বিবর্ণ হলুদ ।ফিকে সবুজ। বা রঙজ্বলা ফিরোজা। … Continue reading কি ঘর বানাইমু আমি শূণ্যের মাঝার

এক ফালি শৈশব

দিনগুলো ভালই ছিল। দুধের সরের মত কুয়াশা পড়ত সন্ধে বেলা। গরিব মানুষগুলো শুকনো লতাপাতা আর গাছের বাকল দিয়ে আগুন জ্বালাত। চারদিকে গোল হয়ে বসে ওম্ পোয়াতো ওরা। খেলার মাঠ থেকে বাড়ি ফিরতাম আমি। বাতাসে ভেসে আসত কাঠ পোড়া মিষ্টি গন্ধ। … Continue reading এক ফালি শৈশব