ধারাবাহিক ক্ষুদে বিজ্ঞানীর ক্লাব - 2 পর্ব (28)

সত্যি তো । চারিদিক টা তো ফাঁকা দেখি। কি আছে ওখানে ?
ধরা যাক একটা খালি বোতলের কথা। ওষুধ, তেল, কাশির সিরাপ শেষ হবার পর
বোতলটা তো খালি রেখে দেই আমরা। ওটা আসলেও কি খালি ?
ব্যাপারটা পরীক্ষার জন্য একটা সাদা রঙের খালি বোতল নিলাম। কাঁচের।
বড় একটা বাউল ভর্তি পানি নিলাম।
বোতলটার ছিপি খুলে বাউলের পানির উপর উপুর করে ধরলাম।
খানিক পানি ঢুকে বোতলের ভেতরে পানি ঢোকা বন্ধ হয়ে গেল।
কারন কি ?
আসলে কোন ফাঁকা জায়গাই ফাঁকা থাকে না। সেই জায়গাটা দখল করে রাখে বাতাস।
বিতলের ভেতরে বাতাস আছে। কখনই খালি থাকে না। এই মুহূর্তে ভেতরের বাতাস চাপ দিচ্ছে বলে আর পানি ঢুকতে পারছে না।
এবার অন্য কায়দা করলাম।
কাত করে ধরলাম বোতলটা।
গল গল করে ভেতরে পানি ঢুকে যাচ্ছে। আর বিচ্ছিরি শব্দ করে বাতাস বের হয়ে আসছে। যে বুদ
বুদ বের হচ্ছে সেটাই বোতলের ভেতরে জমে থাকা বাতাস।
বাতাস বন্দি হয়ে ছিল ওখানে।
আমাদের চারি দিক মোটেও ফাঁকা না। বাতাস থাকে ওখানে।
আমরা চোখে দেখি না। কিন্তু সারাক্ষণ বয়ে যায়। ঘাস নড়ে। পুকুরে ঢেউ উঠে।

Series Navigation<< বরফ কেন পানিতে ভাসেউড়ে যাওয়া মেঘের গল্প >>

মতামত জানান