মানব সভ্যতার শিল্প, বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিতে অবদানের দিক দিয়ে যদি একটা তালিকা করা হয় তবে নিঃসন্দেহে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি সেই তালিকায় উপরের কাতারেই থাকবেন। চিত্রশিল্পী হিসেবে তিনি সমধিক পরিচিত হলেও, তিনি একই সাথে পটু ছিলেন ভাস্কর্যবিদ্যা, সঙ্গীত, স্থাপত্যকলা এবং সমরযন্ত্র এর মত বিষয়গুলোতেও।
১৪৫২ সালে আজকের এই দিনে (১৫ই এপ্রিল) ফ্লোরেন্সের অদূরবর্তী ভিঞ্চি নগরের একটি গ্রামে জন্মেছিলেন এই মহান ব্যক্তি। আজকের খিচুড়ির জানা অজানায় আমরা জেনে নেব এই লিওনার্দো দা ভিঞ্চি সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য যা হয়তো আমাদের এতদিন জানাও না থাকতে পারে।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একইসাথে এক হাত দিয়ে কোন কিছু লিখতে লিখতে অপর হাত দিয়ে কোন কিছু এঁকে ফেলতে পারতেন।

আকাশের রঙ কেন নীল এর প্রথম ব্যাখ্যা আমরা পেয়েছিলাম লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির কাছ থেকেই।

তিনি মাঝে মাঝে বাজার থেকে খাচাবন্দি কিছু পশুপাখি কিনে নিতেন। কে জন্য জানেন? তাদের খাঁচা থেকে মুক্ত করে দিতে।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিখ্যাত পেইন্টিং মোনালিসা ১৯১১ সালে ল্যুভর জাদুঘর থেকে চুরি যাওয়ার পর থেকেই পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পেইন্টিং এর জায়গাটি দখল করে বসে।

দ্য ভিঞ্চির উপর সমকামীতার অভিযোগ এনে প্রায় মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ফেলে হচ্ছিল। কিন্তু শেষমেষ অভিযোগের পক্ষে কেউ কোন প্রমাণ দাখিল করতে না পারায় বেচে যান তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক একটি সফটওয়ার দিয়ে যাচাই করে দেখা যায় যে, মোনালিসা ৮৩% সুখী, ৯% বিরক্ত, ৬% ভীত এবং ২% রাগান্বিত!

কন্টাক্ট লেন্স এর বিষয়টি প্রথম দ্য ভিঞ্চিই উত্থাপন করেন।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন বিখ্যাত সুরবাদকও ছিলেন। তিনি মূলত প্রাচীন গ্রিসে ব্যবহৃত লাইরি নামক একধরনের বিশেষ তারের বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন।

মৃত্যুশয্যায় লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির শেষ কথা ছিল, “আমার কাজগুলোকে আরো ভালোভাবে করা উচিত ছিল!”

মতামত জানান